দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি
ওবায়দুল কাদের বলেন, “দ্রব্যমূল্য কমানোর বিষয়ে ব্যবসায়ীরা কথা রাখবেন কি না, তা দেখার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। তবে, মিষ্টি কথায় তো চিড়া ভিজে না। কথা যেভাবে বলতে হয়, সেভাবেই বলতে হবে আমাদের। যে অ্যাকশনের দরকার, সে অ্যাকশন নিতে হবে।”
স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীক সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “এটা দলীয় কোন্দল নিরসনের জন্য করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নয়।”
তিনি বলেন, “আমরা এই কৌশলটা নিয়েছি আমাদের দলের ভালোর জন্য। আমাদের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকেও এই দাবিটা এসেছে। আমাদের ওয়ার্কিং কমিটিরও অনেকে একমত পোষণ করেছেন। সে মোতাবেক আমাদের নেত্রী দাবি পূরণ করেছেন।”
গত নির্বাচনে ভারতের ভূমিকা সম্পর্কিত ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি এত কিছু বুঝি না। আমি বুঝি আমাদের বেশির ভাগ সীমান্ত ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এদিকে মিয়ানমারের কিছু অংশ, বাকিটা ভারত দ্বারা বেষ্টিত। ভারত আমাদের চেয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তিসহ বহু বিষয়ে এগিয়ে। একটি শক্তিধর দেশ। ভারতের এখন বিশ্বে যে পজিশন, সেটা প্রায় পরাশক্তির পর্যায়ে। ভারতের সঙ্গে ঝগড়া করে আমাদের কোনো লাভ নেই।”
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী এবং স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
