কাজীপাড়া মেট্রোরেল স্টেশন চালু হবে শিগগির
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের নাশকতায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মেট্রোরেলের কাজীপাড়া স্টেশন শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, স্টেশনটি চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং শিগগিরই যাত্রীসেবায় ফিরতে পারে। আজ শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্টেশনটি চালুর জন্য কারিগরি বিভিন্ন দিক পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগের দিন, শুক্রবার, মেট্রোরেল চলাচলের জনবলের কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
ডিএমটিসিএলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, দ্রুত কাজীপাড়া স্টেশন চালু করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে পাওয়া যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম দিয়ে মেরামতকাজ চলছে। তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত যাত্রীদের স্বস্তি দেওয়া এবং সাশ্রয়ী অথচ নিরাপদ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা।" কাজীপাড়া স্টেশন চালুর বিষয়ে ডিএমটিসিএলের কারিগরি দল এবং জাপানি পরামর্শকরা একসঙ্গে কাজ করছেন। তবে মিরপুর-১০ স্টেশন চালু করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে তিনি জানান।
এর আগে, ২৭ জুলাই সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন যে, কাজীপাড়া এবং মিরপুর-১০ স্টেশনের ধ্বংসাবশেষ এমন অবস্থায় রয়েছে যে, এগুলো সচল করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে বর্তমানে ডিএমটিসিএল বলছে, কাজীপাড়া স্টেশন চালুর ব্যয় ৫০ কোটি টাকা ছাড়াতে নাও পারে।
কাজীপাড়া স্টেশনে চারটি ভেন্ডিং মেশিন, ছয়টি টিকিট কাটার কাউন্টার এবং ছয়টি স্বয়ংক্রিয় গেট ভাঙচুর করা হয়েছিল।
ডিএমটিসিএলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, দ্রুত কাজীপাড়া স্টেশন চালু করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে পাওয়া যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম দিয়ে মেরামতকাজ চলছে। তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত যাত্রীদের স্বস্তি দেওয়া এবং সাশ্রয়ী অথচ নিরাপদ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা।" কাজীপাড়া স্টেশন চালুর বিষয়ে ডিএমটিসিএলের কারিগরি দল এবং জাপানি পরামর্শকরা একসঙ্গে কাজ করছেন। তবে মিরপুর-১০ স্টেশন চালু করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে তিনি জানান।
এর আগে, ২৭ জুলাই সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন যে, কাজীপাড়া এবং মিরপুর-১০ স্টেশনের ধ্বংসাবশেষ এমন অবস্থায় রয়েছে যে, এগুলো সচল করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে বর্তমানে ডিএমটিসিএল বলছে, কাজীপাড়া স্টেশন চালুর ব্যয় ৫০ কোটি টাকা ছাড়াতে নাও পারে।
কাজীপাড়া স্টেশনে চারটি ভেন্ডিং মেশিন, ছয়টি টিকিট কাটার কাউন্টার এবং ছয়টি স্বয়ংক্রিয় গেট ভাঙচুর করা হয়েছিল।
