কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ বন্দি

কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ বন্দি
দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ বন্দি রয়েছে।


কারাগারে বন্দিদের সংখ্যা ও ধারণক্ষমতা

বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোতে ৭৭ হাজার ২০৩ জন বন্দি রয়েছে, যা ধারণক্ষমতার তুলনায় দ্বিগুণ। যশোর, সিলেট, দিনাজপুর, ফেনী, পিরোজপুর ও মাদারীপুর কারাগার ছাড়া বর্তমানে দেশের সব কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বন্দি রয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৭৬৫ জন বন্দি রয়েছে। এই কারাগারের ধারণক্ষমতা ৪ হাজার ৫৯০ জন। এ ছাড়া ঝালকাঠি জেলা কারাগারে সর্বনিম্ন ১৮৯ জন বন্দি রয়েছে।

কারাগার নির্মাণ ও সম্প্রসারণ

 ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, খুলনা, নরসিংদী ও জামালপুর- এই ৫টি কারাগার নির্মাণ ও সম্প্রসারণের কাজ চলছে। কারাগারগুলোর নির্মাণকাজ শেষ হলে বন্দি ধারণক্ষমতা প্রায় ৫ হাজার বাড়বে।

বন্দিদের জন্য সুবিধা

কারাগারে আটক বন্দিদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বন্দিদের বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, মেডিটেশন এবং বই ও পত্র-পত্রিকা পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

মানবপাচার প্রতিরোধ

 ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) সফটওয়্যারের মাধ্যমে মানবপাচারকারীদের তথ্যভান্ডার করা হচ্ছে। সরকার মানবপাচারের মতো গুরুতর ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
সীমান্ত হত্যা কমেছে: বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে বিরাজমান সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্ত হত্যা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

কারাগারে বন্দিদের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি উদ্বেগজনক বিষয়।
নতুন কারাগার নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করে বন্দি ধারণক্ষমতা বাড়ানো হবে।
বন্দিদের জন্য শিক্ষা, খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সীমান্ত হত্যা কমেছে।

Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.