যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিস সিটিতে মসজিদের মাইকে আজানের অনুমতি, বিল পাস
রমজান মাসের স্বীকৃতির পর নিউইয়র্ক সিটির মসজিদগুলোতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান মাইকে প্রচারের সম্মতি মিলল। গত ২৪ আগস্ট এক সার্কুলারে সিটির কম্যুনিটি অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর ডেপুটি কমিশনার চিহ্নিত টি স্ট্যুয়ার্ট মুসলিম আমেরিকানদের জন্য বিশেষ এই খুশির মেসেজ দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা স্টেটের মিনিয়েপলিস সিটি কাউন্সিলের পর নিউইয়র্ক সিটি হচ্ছে ২য় সিটি যেখানে মাইকে আজান দেওয়ার সম্মতি পাওয়া গেল।
এই সিদ্ধান্তকে মুসলিম কম্যুনিটির পক্ষ হতে অভিনন্দন জানিয়েছেন ‘স্যাফেস্ট’ (সাউথ এশিয়ান আমেরিকান তহবিল ফর স্কলারশিপ অ্যান্ড ট্রেনিং)’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাজেদা উদ্দিন।
মাজেদা এ সংবাদদাতাকে জানান, সিটি কাউন্সিলের এ ডিসিশনের জন্য পর্যাপ্ত কাঠ-খড় পুড়তে হয়েছে। প্রার্থনা করছি শিগগিরই দুই ঈদের দিনে সিটির সকল অফিস-আদালতেও মুসলমানদের জন্য সবেতন ছুটির আইন তার সাথে জুলাই মাসকে ‘মুসলিম ঐতিহ্যের মাস’ হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের দেন-দরবারেও আমরা সাকসেস হব।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটিতে ৩য় সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মাবলম্বী হচ্ছেন মুসলমানেরা। ১ম হচ্ছে খ্রিস্টান তার সাথে দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ হচ্ছে হিব্রু জাতি সম্প্রদায়। এই সিটিতে সাড়ে সাত লাখ মুসলমান বাস করছেন তার সাথে নিউইয়র্ক মেট্রোপলিটন সিটিতে এ পরিমান ১৫ লাখের বেশি। বাংলাদেশিদের পরিচালিত ৩৫টিসহ মোট ১৭৫টি মসজিদ আছে সিটির অলি-গালিতে।
সবগুলো মসজিদে নামাজের আজান মাইকে আরম্ভ হলে বিশ্বের রাজধানী খ্যাত এই সিটিও ‘মসজিদের শহর’ হিসেবে রুপান্তর হবে বলে মনে করা হয়েছে।
ডেপুটি কমিশনার মার্ক টি স্ট্যুয়ার্ট তার সার্কুলারে উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে সকল ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানকে সংহত করার কথা রয়েছে। সে তাগিদেই এটি করা হলো।
উল্লেখ্য, ব্রুকলিনে নূর আল ইসলাম মসজিদে আজান প্রচারিত হতো মাইকে। কয়েক বছর প্রথমে এলাকার ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা সিটি প্রশাসনে আপত্তি জানালে সেই বিধি বাদ করা হয়। অতঃপর থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষ হতে সিটি কাউন্সিলে দেন-দরবার আরম্ভ হয়েছিল।
