শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী করবেন

 

অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণেও শিশু খেতে চায় না

মায়েদের খুব সাধারণ একটা অভিযোগ—শিশুরা খেতে চায় না। মনে রাখবেন, ছোট শিশুদের খেতে না চাওয়ার অন্যতম একটা কারণ কোষ্ঠকাঠিন্য। অনেক সময় শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য মায়েরা টের পান না। দেখা যায়, পায়খানা নরম হলেও অনেক সময় তা পুরোপুরি পরিষ্কারভাবে না হওয়ার কারণে শিশুদের পেট ফাঁপা থাকে। অরুচি দেখা দেয়। অনেক সময় মায়েরা লক্ষও করেন না, শিশুরা কী ধরনের পায়খানা করছে। অন্য অনেক সমস্যার মধ্যে এ সমস্যাটি নজরে পড়ে না।

 প্রথমে জানতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে আসলে আমরা কী বুঝি।

শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তাদের সঠিক পরামর্শ ও যত্ন নিতে হবে। নিম্নলিখিত কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত:

১. চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ অনুযায়ী, প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক শিশুর অবস্থার সঠিক পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনে পরীক্ষাগারের পরীক্ষা অনুষ্ঠান করতে পারেন।

২. পুষ্টিকর খাবার: শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো উচিত। তাদের ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিন সম্পন্ন খাদ্য প্রদান করতে হবে। তাদের আহারে প্রয়োজনীয় দুধ, ফল এবং সবজির পরিমাণ সঠিক হওয়া উচিত। ডেইরি প্রোডাক্টগুলি দিয়ে তাদের ক্যালসিয়াম পূরণ করা যেতে পারে।

৩. পর্যাপ্ত পানি: শিশুদের পর্যাপ্ত পানি পান করানো উচিত। তাদের দৈনন্দিন পানিপানির পরিমাণ যথাযথ হওয়া

৪. স্বাস্থ্যকর মাংস, মাছ, ডিম, পুলো, দাল ইত্যাদি প্রোটিন সম্পন্ন খাবার প্রদান করুন।

৫. শিশুর ভিটামিন ও মিনারেল পূরণের জন্য সবজি ও

৬. তাদের পালন করতে গিরেছে খাবারের ব্যবস্থা করুন। তাদের খাবারের বিষয়গুলি মনিটর করুন এবং ব্যাক্তিগত পছন্দগুলি মেনে চলুন।

৭. নির্মাণশীল খাবারগুলি সীমাবদ্ধ করুন। তীব্র মধুমাখি এবং গ্যাসে জ্বলমান খাবার সামগ্রী এড়ানোর চেষ্টা করুন।

৮. প্রতিটি খাবার তাদের দেহের সংখ্যক পরিমাণে বিভক্ত করুন। মাঝারি আহারে বেশি কিছু খাদ্য উপাদানের বিনিময়ে মাঝারি খাদ্য উপাদানের জন্য আহারের উপাদানগুলি পরিবর্তন করুন।

৯. মধুমাখি এবং গ্যাসে জ্বলমান খাদ্যের সাথে সংযোগ করান না। তাদের দূরে রাখার জন্য চেষ্টা করুন।

১০. দৈনিক ব্যায়ামের জন্য শিশুকে উদ্দীপনা করুন। উপযুক্ত বয়সের শিশুদের জন্য উপযুক্ত ব্যায়াম ও পানি সার্কুলেশন বাড়ানোর জন্য উপায় সিদ্ধ করুন।

সমাধান কী

শিশুদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন প্রণালির পরিবর্তন আনতে হবে। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত সবজি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একটি প্লেটের অর্ধেক সবজি দিয়ে সাজাতে হবে। রঙিন ফলমূলের পরিমাণ খাদ্যতালিকায় বাড়াতে হবে।

ফলের জুসের পরিবর্তে ফলমূল খাওয়া উপকারী।

শিশু পর্যাপ্ত পানি পান করছে কি না, খেয়াল করুন।

শিশু যেন নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেট ব্যবহার করে, সেই অভ্যাস গড়ে তুলুন। সে জন্য প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাকে কমোডে ১৫ মিনিট বসিয়ে রাখতে হবে। সে মল ত্যাগ করুক আর না করুক।

দৈনিক খেলাধুলা করার সুযোগ করে দিতে হবে। শিশুকে এ ক্ষেত্রে সাঁতার, কারাতে বা অন্যান্য খেলায় উৎসাহিত করা যেতে পারে।

স্কুলে পর্যাপ্ত টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, কোষ্ঠকাঠিন্য ভবিষ্যতে নানা রোগব্যাধির জন্ম দিতে পারে।

Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.