চাঁদপুরে রাতের শহর আলোকিত থাকলেও অন্ধকারেই থাকে শহীদ মিনার

চাঁদপুর শহরে রাতের বেলায় বিদ্যুতের আলোয় চমৎকার ফকফকা থাকলেও অন্ধকারেই থেকে যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ১৯৯৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক পৌর মিলনায়তনে এর ভিত্তি প্রস্থর নির্মাণ হয়েছিলো।কালের বিবর্তনে শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কের পাশেই সুসজ্জিতভাবে গড়ে তোলা হয় এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি।
এটি এতো সুন্দরভাবে নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে চাঁদপুর পৌর সভার তত্ত্বাবধানে। কিন্তু এটি ঐ ২১ শে ফেব্রুয়ারি আসলেই সমান্য ঘসা মাজা করে পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখা হয়। কিন্তু বছরের অন্য সময় গুলোতে এটি সুন্দর রাখার কেউ যেন নজরই দিচ্ছে না।
৯ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে আলোচনা করে এসব তথ্য জানা যায়।
স্থানীয়রা আরো জানান, যখন সন্ধ্যার পর এই পথ দিয়ে চলাচল করি। এই শহীদ মিনারটির দিকে নজর গেলেই এটি অন্ধকারের জন্য দেখা যায় না। তবে মাঝে মাঝেই এখানে শুনা যায় বখাটের ডাক-চিৎকার। তখন বুজতে পারি এটি অন্ধকার থাকায় এখানে বখাটে অপরাধীরা তাদের অপরাধ কার্যক্রমের নিরাপদ আশ্রয় স্থল হিসেবে ব্যবহার করছে।
কয়েকজন স্থানীয় জানান,ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা এই শহীদ মিনারে একুশে ফেব্রুয়ারি ছাড়াও বিভিন্ন গণ আন্দোলনে ও এটি ব্যবহার করেছেন বিপ্লবি নেতা-কর্মীরা। কখনো যেন ওই সব বিপ্লবীদের আন্দোলনের একমাত্র আশ্রয়স্থল হয় এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি।চাঁদপুরের অলিতে গলিতে চারদিকে যেভাবে বৈদ্যুতিক বাতির মাধ্যমে আলোকিত রাখা হয়েছে। তার মধ্যে এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটিই যেন কোন অংশে এই পৌর কর্তৃপক্ষের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বাদ রয়ে গেছে।
প্রায় সময় অবশ্য স্থানীয় কতিপয় মাদকসেবীদের এটির ভিতরে মাদক সেবন করতেও দেখা যায়। তাই এটির চারপাশে যদি নানা রকমের বৈদ্যুতিক বাতি লাগানো হয়, তাহলে এই শহীদ মিণার প্রাঙ্গণটিও রাতের আলোতে আলোকিত ও উজ্জ্বল দেখা যাবে। এতে করে উজ্জ্বল আলোয় অপরাধীরা ও অপরাধ কার্যক্রম করতে এর ভিতরে ভয়ে প্রবেশ করবে না।
সর্বপরি চাঁদপুরের উন্নয়নের রূপকার পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদের সুনজরই পারে এই শহীদ মিণারটির চারপাশে আলোর ব্যবস্থা করে সুসজ্জিত করতে। দ্রুত তিনি গণমানুষের এই দাবিটি পূরণ করবেন বলেও চাঁদপুর পৌরবাসী মনে করছেন।
প্রায় সময় অবশ্য স্থানীয় কতিপয় মাদকসেবীদের এটির ভিতরে মাদক সেবন করতেও দেখা যায়। তাই এটির চারপাশে যদি নানা রকমের বৈদ্যুতিক বাতি লাগানো হয়, তাহলে এই শহীদ মিণার প্রাঙ্গণটিও রাতের আলোতে আলোকিত ও উজ্জ্বল দেখা যাবে। এতে করে উজ্জ্বল আলোয় অপরাধীরা ও অপরাধ কার্যক্রম করতে এর ভিতরে ভয়ে প্রবেশ করবে না।
সর্বপরি চাঁদপুরের উন্নয়নের রূপকার পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদের সুনজরই পারে এই শহীদ মিণারটির চারপাশে আলোর ব্যবস্থা করে সুসজ্জিত করতে। দ্রুত তিনি গণমানুষের এই দাবিটি পূরণ করবেন বলেও চাঁদপুর পৌরবাসী মনে করছেন।