দেশ এগিয়ে নেবে নতুন মন্ত্রিসভা, মত বিশ্লেষকদের
চমকপ্রদ নতুন মন্ত্রিসভা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সোনার বাংলা গড়ে তুলবে বলে প্রত্যাশা করেছেন বিশিষ্টজনরা। পাশাপাশি ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলেও মনে করেন তারা। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রিসভা সামগ্রিকভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে বলে আশাবাদী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
একাদশ জাতীয় সংসদের নব-নির্বাচিত সংসদদের শপথ গ্রহণের ৩ দিন পরই রোববার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। যেখানে দেখা যায় প্রবীণদের চেয়ে নবীনদের আধিক্য।
আওয়ামী লীগ ঘোষিত ‘তারুণ্যের শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি’ ইশতেহারের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই, এই মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। দল পরিচালনার ক্ষেত্রে যারা দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদেরকেই মূল্যায়ন করেছেন বলেও মনে করেন তিনি।
অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শপথ গ্রহণের আগে নিশ্চিত করে জানা যায় না যে কাদের শপথ গ্রহণের জন্য ডাকা হয়েছে। এবার অনেক বেশি স্বচ্ছতার সঙ্গে এই কাজগুলো করা হয়েছে। আমরা আজকেই জানি যে মন্ত্রিসভায় কারা শপথ নিচ্ছেন, আর কে কোন দায়িত্বে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয় এই যে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আজ থেকে শুরু হলো তা ভবিষ্যতেও নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। তারুণ্যর শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি। আমরা এই মন্ত্রিসভা দেখে বুজতে পারছি তারুণ্যর শক্তির উপর প্রশাসন কতটা নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী তরুণদের উপর আস্থা রাখেন, বিশ্বাস রাখেন।
নতুন মন্ত্রিসভার সামনে অনেক দায়িত্ব উল্লেখ করে, রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়ই বলে দেবে তাদের সফলতা। আওয়ামী লীগের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা এই মন্ত্রিসভাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বাদ পড়াদের মধ্যে যাদের হেভিওয়েট বলা হচ্ছে আমি তাদের হেভিওয়েট মনে করি না। প্রবীণরা তো অনেকদিন মন্ত্রিত্ব করেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে তারা অবশ্যই নবীনদের সাহায্য করবেন। তাদের সারা জীবন মন্ত্রী থাকতে হবে এমন তো কথা নয়।
আপাতত মহাজোটের অংশীদাররা মন্ত্রিসভায় ঠাঁই না পেলেও পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়ার সুযোগ আছে বলেও মত দেন এই রাজনীতি বিশ্লেষক।
আওয়ামী লীগ ঘোষিত ‘তারুণ্যের শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি’ ইশতেহারের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই, এই মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। দল পরিচালনার ক্ষেত্রে যারা দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদেরকেই মূল্যায়ন করেছেন বলেও মনে করেন তিনি।
অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শপথ গ্রহণের আগে নিশ্চিত করে জানা যায় না যে কাদের শপথ গ্রহণের জন্য ডাকা হয়েছে। এবার অনেক বেশি স্বচ্ছতার সঙ্গে এই কাজগুলো করা হয়েছে। আমরা আজকেই জানি যে মন্ত্রিসভায় কারা শপথ নিচ্ছেন, আর কে কোন দায়িত্বে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয় এই যে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আজ থেকে শুরু হলো তা ভবিষ্যতেও নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। তারুণ্যর শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি। আমরা এই মন্ত্রিসভা দেখে বুজতে পারছি তারুণ্যর শক্তির উপর প্রশাসন কতটা নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী তরুণদের উপর আস্থা রাখেন, বিশ্বাস রাখেন।
নতুন মন্ত্রিসভার সামনে অনেক দায়িত্ব উল্লেখ করে, রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়ই বলে দেবে তাদের সফলতা। আওয়ামী লীগের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা এই মন্ত্রিসভাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বাদ পড়াদের মধ্যে যাদের হেভিওয়েট বলা হচ্ছে আমি তাদের হেভিওয়েট মনে করি না। প্রবীণরা তো অনেকদিন মন্ত্রিত্ব করেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে তারা অবশ্যই নবীনদের সাহায্য করবেন। তাদের সারা জীবন মন্ত্রী থাকতে হবে এমন তো কথা নয়।
আপাতত মহাজোটের অংশীদাররা মন্ত্রিসভায় ঠাঁই না পেলেও পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়ার সুযোগ আছে বলেও মত দেন এই রাজনীতি বিশ্লেষক।