সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূ-শিশু হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী



ভোলার লালমোহনে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূ ও শিশুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরেকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। পারিবারিক কলহের জেরে নিহত শিশুর বাবাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে লালমোহনে নিজ ঘরে মেয়ে ও ছোট বোনকে নিয়ে ঘুমচ্ছিলেন গৃহবধূ অংকুরা বেগম। গভীর রাতে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে তাদের গায়ে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ছোটবোন সুরমা।

এসময় দগ্ধ হন অংকুরা বেগম ও তার ৮ বছর বয়সী মেয়ে খাদিজা। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু খাদিজাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অংকুরা বেগমের অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানান শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান।

নিহতের এক স্বজন বলেন, 'সুরমার স্বামী ঘরে ঢুকে তারা যে চোকিতে শুয়ে ছিলো সেটাতে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। ঘরের সামনের এবং পেছনের দরজার কপাট লাগিয়ে দিয়েছে যাতে ওরা ঘর থেকে বরে হতে না পারে।'


নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সুরমার সঙ্গে তার স্বামী রফিকের দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিলো। তারই জেরে এ হত্যাকাণ্ড বলে দাবি তাদের।

গত বছরের জুলাই মাসে রফিকের সঙ্গে সুরমার বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই পারিবারিক কলহ নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়। ১০ দিন আগে সুরমাকে রেখে স্বামী রফিক চলে যায়। পরে বড়বোন অংকুরা বেগমের বাড়িতে গিয়ে উঠেন সুরমা।


Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.