‘থাকবেন মুন, বৈঠক হবে ত্রিপক্ষীয়’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠেয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে পূর্ণ গতিতে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র চার পক্ষ মিলে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বৈঠক সফল করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল গত রবিবার উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় বসে অস্ত্র বিরতির গ্রাম হিসেবে পরিচিত পানমুনজমে। একই লক্ষ্যকে সফল করতে উত্তর কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদল এখন চীনে অবস্থান করছে। দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, অতি প্রত্যাশিত ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন তাঁদের প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। আর সুবাতাস বইতে থাকা এই পরিবেশকে আরো উত্সাহিত করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, উত্তর কোরিয়ার অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। এক দিন এই জাতি অর্থনৈতিকভাবে দারুণ উন্নতি করবে।’
ওয়াশিংটন পোস্ট গতকাল এক প্রতিবেদনে জানায়, পানমুনজমে উত্তরের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। এ দলে নেতৃত্ব দেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত সাং কিম। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই। তবে এত আলাপ-আলোচনার পরও ট্রাম্প ও উনের মধ্যে কী করে সেতুবন্ধ রচিত হতে পারে তা স্পষ্ট নয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশের উত্তর কোরিয়াবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা ভিক্টর চা বলেন, ‘ঠিক এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে শীর্ষ সম্মেলনটির বিষয়ে আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই। সফল হোক না হোক বৈঠকটি হচ্ছে।’ সিনেটর মার্কো রুবিও বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্রগুলোর সঙ্গে উনের একটি আবেগীয় সম্পর্ক রয়েছে। এগুলোর কারণেই তিনি নিজেকে মর্যাদাবান ও শক্তিশালী মানুষ বলে মনে করেন।’ উন এগুলো এত সহজে ছাড়তে চাইবে বলে তিনি মনে করেন না। সূত্র : এএফপি, পিটিআই।
টুইটে উত্তর কোরিয়ার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেই থেমে যাননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তিনি আরো জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে উনও তাঁর সঙ্গে একমত। এবং এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল এখন উত্তর কোরিয়ায়। এই দলের মূল কাজ হচ্ছে, আসন্ন বৈঠকের সমঝোতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা। মাত্র তিন দিন আগেই উল্টো সুরে গাইছিলেন ট্রাম্প। বৈঠক বাতিল করে দেওয়ার ঘোষণার পর তাঁর বর্তমান অবস্থান মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোগেই সম্ভব হয়েছে। বৈঠকের ব্যাপারে মুন জায়ে ইন যেমন যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করিয়েছেন, তেমনি গত শনিবার তিনি পানমুনজমে দেখা করেন উনের সঙ্গেও। অর্থাৎ দুই ফ্রন্টেই সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিণের এ নেতা। গতকাল দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ থেকে জানানো হয়, সিঙ্গাপুর বৈঠকেও উপস্থিত থাকতে পারেন মুন জায়ে ইন। যদিও বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ওয়াশিংটন পোস্ট গতকাল এক প্রতিবেদনে জানায়, পানমুনজমে উত্তরের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। এ দলে নেতৃত্ব দেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত সাং কিম। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই। তবে এত আলাপ-আলোচনার পরও ট্রাম্প ও উনের মধ্যে কী করে সেতুবন্ধ রচিত হতে পারে তা স্পষ্ট নয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশের উত্তর কোরিয়াবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা ভিক্টর চা বলেন, ‘ঠিক এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে শীর্ষ সম্মেলনটির বিষয়ে আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই। সফল হোক না হোক বৈঠকটি হচ্ছে।’ সিনেটর মার্কো রুবিও বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্রগুলোর সঙ্গে উনের একটি আবেগীয় সম্পর্ক রয়েছে। এগুলোর কারণেই তিনি নিজেকে মর্যাদাবান ও শক্তিশালী মানুষ বলে মনে করেন।’ উন এগুলো এত সহজে ছাড়তে চাইবে বলে তিনি মনে করেন না। সূত্র : এএফপি, পিটিআই।
টুইটে উত্তর কোরিয়ার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেই থেমে যাননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তিনি আরো জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে উনও তাঁর সঙ্গে একমত। এবং এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল এখন উত্তর কোরিয়ায়। এই দলের মূল কাজ হচ্ছে, আসন্ন বৈঠকের সমঝোতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা। মাত্র তিন দিন আগেই উল্টো সুরে গাইছিলেন ট্রাম্প। বৈঠক বাতিল করে দেওয়ার ঘোষণার পর তাঁর বর্তমান অবস্থান মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোগেই সম্ভব হয়েছে। বৈঠকের ব্যাপারে মুন জায়ে ইন যেমন যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করিয়েছেন, তেমনি গত শনিবার তিনি পানমুনজমে দেখা করেন উনের সঙ্গেও। অর্থাৎ দুই ফ্রন্টেই সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিণের এ নেতা। গতকাল দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ থেকে জানানো হয়, সিঙ্গাপুর বৈঠকেও উপস্থিত থাকতে পারেন মুন জায়ে ইন। যদিও বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
